আরও দেখুন
সোমবার GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যেরও খুবই স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা পরিলক্ষিত হয়েছে এবং কোনো নির্দিষ্ট দিকেই মুভমেন্টের কোনো প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়নি। যেখানে জার্মানি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রকাশিত দুটি প্রতিবেদনের প্রভাবে EUR/USD-এর মূল্যের সক্রিয় মুভমেন্টের যৌক্তিক কারণ ছিল, সেখানে GBP/USD-এর ক্ষেত্রে এমন কোনো সক্রিয় মুভমেন্টের ভিত্তি ছিল না। সকালের সেশনে পাউন্ডের দর সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং মূলত সেখানেই মুভমেন্ট থেমে যায়। একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় লক্ষ্য করা প্রয়োজন: শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রে নন-ফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের অত্যন্ত শক্তিশালী ফলাফল প্রকাশিত হয়েছিল, যা মার্কিন ডলারের উল্লেখযোগ্য দর বৃদ্ধি ঘটাতে পারেনি। অনেক সময় দেখা যায়, এই পেয়ারের মূল্য প্রত্যাশিত দিকে অগ্রসর হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে আবার আগের অবস্থানে ফিরে আসে এবং কেবল পরের দিনই পুনরায় যৌক্তিক মুভমেন্ট শুরু হয়। কিন্তু এবার সোমবারও মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি পায়নি। এর অর্থ হলো, নন ফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল আসলে মার্কেটে ওপর তেমন কোনো প্রভাব ফেলেনি। এর একটিই অর্থ হতে পারে: ট্রেডাররা সেপ্টেম্বরে ফেডারেল রিজার্ভের আর্থিক নীতিমালা কঠোর করার সম্ভাবনার উপর আস্থা রাখছেন না অথবা তারা ইতোমধ্যেই এই বিষয়টি তাদের মূল্যায়নে অন্তর্ভুক্ত করে ফেলেছেন। মার্কিন ডলারের আরও দর বৃদ্ধির জন্য আমরা এখনও কোনো কারণ দেখতে পাচ্ছি না।
সোমবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। দিনজুড়ে এই পেয়ারের মূল্যের প্রায় 40 পিপসের অস্থিরতা পরিলক্ষিত হয়েছে; এমন পরিস্থিতিতে নির্ভরযোগ্য সিগন্যাল গঠিত ও তা কার্যকর করার প্রত্যাশা করা অত্যন্ত কঠিন ছিল। তাই সোমবার ট্রেডারদের জন্য নতুন পজিশন ওপেন করার মতো কোনো পরিস্থিতি ছিল না।
ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে, যা কারেকশন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আমাদের মতে, মধ্যমেয়াদে পাউন্ডকে মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত থাকা উচিত, যদিও বর্তমানে কারেকশনের প্রভাবে দরপতন হচ্ছে। সাপ্তাহিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্য সাইডওয়েজ চ্যানেলের লোয়ার বাউন্ডারি থেকে আপার বাউন্ডারির দিকে উঠতে শুরু করেছে এবং এই মুভমেন্ট এখনও সম্পন্ন হয়নি। ফলে, আমরা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার প্রত্যাশা করছি।
মঙ্গলবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.3587–1.3598 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3456–1.3476-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। অন্যদিকে এই পেয়ারের মূল্য 1.3456–1.3476 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.3587-1.3598-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।
5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3259–1.3267, 1.3319–1.3331, 1.3380–1.3386, 1.3456–1.3476, 1.3587–1.3598, 1.3631–1.3641, 1.3695, 1.3741। মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যে উল্লেখযোগ্য কোনো ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না। যুক্তরাষ্ট্রে কেবল সাপ্তাহিক এডিপি প্রতিবেদন প্রকাশ করবে, যা মূলত খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে আমরা মার্কেটে উল্লেখযোগ্য কোনো মুভমেন্টের আশা করছি না।
নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।